আসসালামু আলাইকুম ভিউইয়ার্স ।
আমি এসেছি নতুন একটা পদ্ধতি সম্পর্কে আপনাদেরকে ধারণা দিতে । আমাদের বাংলাদেশে অনেক দম্পতি রয়েছেন যাদের বিয়ের অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কোন সন্তানের জন্ম দিতে পারেন্নি, মূলত তাদের উদ্দেশ্যেই আমার এই ব্লগ । আপনারা হয়ত লজ্জায় সমাজে কিংবা অফিসে মুখ দেখাতে পারছেন্না । আপনাদের এই দুঃখ দুর্দশা ভোলাতে আধুনিক বিস্ময়কর বিজ্ঞান নিয়ে এল সারগেসি পদ্ধতি । আপনারা হয়ত এই শব্দটা শুনেছেন । তবুও পুরপুরি জানার জন্য একটু খানি আলোচনা করি । তাহলে জানা যাক সারগেসি কি? কথেকে এলো? এটার কাজ কি? কেন এত জনপ্রিয়?
যেসব দম্পতি যারা প্রকৃতির সাধারন নিয়মে সন্তান ধারনে অক্ষম তাদের জন্যই মুলত সারোগেসি পদ্ধতির প্রচলন ঘটেছে । এটাকে ঠিক নতুন পদ্ধতি বলা মনে হয় ঠিক হবে না, কারণ প্রাচীন ব্যাবলিনে-র একটি ঘটনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় যা পবিত্র বাইবেল গ্রন্থেও অনুসৃত । এবং পরবর্তিতে এশিয়া মহাদেশের চীন দেশের ইতিহাসেও এই পদ্ধতির প্রয়োগের সত্যতা মেলে । আর সর্বশেষ পশ্চিমা দেশে তো অনেক আগে থেকেই এটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে| হালে আমাদের আশে পাশের দেশ বিশেষ করে ইন্ডিয়াতে এর বানিজ্যিক জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে । দুভাবে এই পদ্ধতি কাজ করে, একটি হচ্ছে ট্রেডিশনাল সারোগেসি আর অন্যটি হচ্ছে গেসটেসনাল সারোগেসি ।১ম পদ্ধতিতে কোনো দম্পতি'র নারী সদস্য প্রাকৃতিক প্রজননে অক্ষম পুরুষের কাছ থেকে সুস্থ ও সবল শুক্রানু তার জড়ায়ুতে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে গর্ভধারন করে অথবা যদি নারীটি ডিম্বানু নিষিক্তকরন প্রক্রিয়ায় অক্ষম হয় সেক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল সাহায্য নিয়ে মাতৃগর্ভের বাইরে আলাদা ভাবে ডিম্বানু নিষিক্তকরন করে তারপর নিষিক্ত ভ্রুন-টি নারী-টির গর্ভে প্রতিস্থাপন করা হয় । আর ২য় বা গেসটেসনাল সারোগেসি পদ্ধতিতে পরিবারের অন্য কোন মহিলা সদস্য বা বাইরের কোন মহিলা স্বইচ্ছায় বা অর্থের বিনিময়ে কোন দম্পতির দেয়া ভ্রুন গর্ভে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে গর্ভধারন করে থাকে । সম্প্রতি বলিউড নায়ক শাহরুখ খান দম্পতি তাদের ৩য় সন্তান গেসটেসনাল সারোগেসি পদ্ধতিতে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । কারন তার স্ত্রী গৌরী বার্ধক্য ঝুকির কারনে নিজে গর্ভেধারন না করে অন্য কোন সুস্থ নারী’র গর্ভের শরনাপন্ন হবেন । আমাদের দেশে টেস্টটিউব বেবী পদ্ধতি সম্পর্কে অনেকেই আমরা জানি কিন্তু সারোগেসি পদ্ধতি সম্পর্কে বিশদভাবে ভাবে তেমন কিছু জানিনা ।যে পদ্ধতিতেই হোক না কেন নিঃসন্তান দম্পতি’রা যদি এসব পদ্ধতি অবলম্বন করে তাদের বহুল কাঙ্ক্ষিত সন্তানের মুখ দেখবার সৌভাগ্য লাভ করেন তাহলে এর চেয়ে খুশির আর কিছু হতে পারে না । অতএব তাদের জন্য শুভ কামনা রইল ।
নিঃসন্তান দম্পতিদের মা-বাবা হওয়ার লক্ষ্যে অনেকদিন ধরেই গবেষণা করে আসছেন গবেষকরা। বিজ্ঞানের অবদানে মানুষ আবিষ্কার করেই চলেছে একটির পর একটি নতুন চমক। আর গবেষকদের গবেষণার একটি বড় অংশজুড়েই রয়েছে চিকিৎসা বিজ্ঞান। টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিটির পর আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের তেমনি এক নতুন চমক এ সারোগেসি পদ্ধতি। কোনো দম্পতি যখন নিজেরা সন্তানের জন্ম দিতে ব্যর্থ তারা এ সারোগেসি পদ্ধতিটির সাহায্যে নিজেদের সন্তান জন্ম দিতে পারেন। কোনো মহিলার জরায়ু না থাকলে বা ত্রুটিযুক্ত জরায়ু হলে অন্যের গর্ভে সন্তানের ভ্রুণ স্থাপন করে বড় করে তোলার পদ্ধতিটির নাম সারোগেসি। সারোগেসি পদ্ধতিটিতে সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য প্রয়োজন পড়ে একটি সুস্থ সবল জরায়ুর। সারোগেসি পদ্ধতিটি সাধারণত দুই ধরনের- একটি আইভিএফ সারোগেসি ও অন্যটি আইইউআই সারোগেসি। আইভিএফ সারোগেসি পদ্ধতিটির ক্ষেত্রে নিঃসন্তান দম্পতির প্রয়োজন পড়ে তৃতীয় কোনো মহিলার সুস্থ জরায়ু। কৃত্রিম উপায়ে শরীরের বাইরে গবেষণাগারে দম্পতির ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রুণ তৈরি করে নিয়ে সেটি একটি সুস্থ সবল জরায়ুতে স্থাপন করা হয়। অন্যদিকে আবার হবু মায়ের শরীরে ডিম্বাণু না থাকলে বা ডিম্বাণুজনিত কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে সারোগেট মাদারের কাছ থেকেও দম্পতি ডিম্বাণু ধার নিতে পারে। সে ক্ষেত্রে শুধু বাবার শুক্রাণুকে সারোগেট মাদারের দেহে নির্দিষ্ট দিনে বিশেষ পদ্ধতিতে ঢুকিয়ে দেয়া হয় আর এটিকে বলা হয় আইইউআই সারোগেসি। সারোগেসি পদ্ধতিটির ক্ষেত্রে যিনি ডিম্বাণু দিচ্ছেন তিনি সন্তানের জেনেটিক মাদার, যার শরীরে সন্তান বড় হবে তিনি বায়োলজিক্যাল মাদার এবং যার শুক্রাণু প্রদানকারী হলেন বাচ্চাটির জেনেটিক ফাদার। তবে এ পদ্ধতিতে সন্তান জন্ম দেয়ার ক্ষেত্রে যে সন্তান জন্ম নিচ্ছে সে জেনেটিক মায়ের ডিম্বাণু ব্যতীত আর কোনো দৈহিক সংস্পর্শ পায় না। এমনকি মাতৃদুগ্ধ পান থেকেও সন্তান বঞ্চিত হয়। এ কারণে এ পদ্ধতিটি নিয়ে অনেকেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখান। বর্তমানে আমাদের পাশের দেশ ভারতে সারোগেট মায়ের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। টাকার বিনিময়ে বিত্তবানদের সন্তানলাভে সারোগেসি মা হতে এগিয়ে আসছেন ভারতের গরিব অসহায় নারীরা। সন্তানের জন্ম দিতে এখানে মায়েরা শুরু করেছেন এক অভিনব আদান-প্রদান। সারোগেট মা টাকার বিনিময়ে অন্য নারীর মাতৃত্বের জন্য গর্ভধারণ করেন।
নিঃসন্তান দম্পতিদের মা-বাবা হওয়ার লক্ষ্যে অনেকদিন ধরেই গবেষণা করে আসছেন গবেষকরা। বিজ্ঞানের অবদানে মানুষ আবিষ্কার করেই চলেছে একটির পর একটি নতুন চমক। আর গবেষকদের গবেষণার একটি বড় অংশজুড়েই রয়েছে চিকিৎসা বিজ্ঞান। টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিটির পর আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের তেমনি এক নতুন চমক এ সারোগেসি পদ্ধতি। কোনো দম্পতি যখন নিজেরা সন্তানের জন্ম দিতে ব্যর্থ তারা এ সারোগেসি পদ্ধতিটির সাহায্যে নিজেদের সন্তান জন্ম দিতে পারেন। কোনো মহিলার জরায়ু না থাকলে বা ত্রুটিযুক্ত জরায়ু হলে অন্যের গর্ভে সন্তানের ভ্রুণ স্থাপন করে বড় করে তোলার পদ্ধতিটির নাম সারোগেসি। সারোগেসি পদ্ধতিটিতে সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য প্রয়োজন পড়ে একটি সুস্থ সবল জরায়ুর। সারোগেসি পদ্ধতিটি সাধারণত দুই ধরনের- একটি আইভিএফ সারোগেসি ও অন্যটি আইইউআই সারোগেসি। আইভিএফ সারোগেসি পদ্ধতিটির ক্ষেত্রে নিঃসন্তান দম্পতির প্রয়োজন পড়ে তৃতীয় কোনো মহিলার সুস্থ জরায়ু। কৃত্রিম উপায়ে শরীরের বাইরে গবেষণাগারে দম্পতির ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রুণ তৈরি করে নিয়ে সেটি একটি সুস্থ সবল জরায়ুতে স্থাপন করা হয়। অন্যদিকে আবার হবু মায়ের শরীরে ডিম্বাণু না থাকলে বা ডিম্বাণুজনিত কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে সারোগেট মাদারের কাছ থেকেও দম্পতি ডিম্বাণু ধার নিতে পারে। সে ক্ষেত্রে শুধু বাবার শুক্রাণুকে সারোগেট মাদারের দেহে নির্দিষ্ট দিনে বিশেষ পদ্ধতিতে ঢুকিয়ে দেয়া হয় আর এটিকে বলা হয় আইইউআই সারোগেসি। সারোগেসি পদ্ধতিটির ক্ষেত্রে যিনি ডিম্বাণু দিচ্ছেন তিনি সন্তানের জেনেটিক মাদার, যার শরীরে সন্তান বড় হবে তিনি বায়োলজিক্যাল মাদার এবং যার শুক্রাণু প্রদানকারী হলেন বাচ্চাটির জেনেটিক ফাদার। তবে এ পদ্ধতিতে সন্তান জন্ম দেয়ার ক্ষেত্রে যে সন্তান জন্ম নিচ্ছে সে জেনেটিক মায়ের ডিম্বাণু ব্যতীত আর কোনো দৈহিক সংস্পর্শ পায় না। এমনকি মাতৃদুগ্ধ পান থেকেও সন্তান বঞ্চিত হয়। এ কারণে এ পদ্ধতিটি নিয়ে অনেকেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখান। বর্তমানে আমাদের পাশের দেশ ভারতে সারোগেট মায়ের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। টাকার বিনিময়ে বিত্তবানদের সন্তানলাভে সারোগেসি মা হতে এগিয়ে আসছেন ভারতের গরিব অসহায় নারীরা। সন্তানের জন্ম দিতে এখানে মায়েরা শুরু করেছেন এক অভিনব আদান-প্রদান। সারোগেট মা টাকার বিনিময়ে অন্য নারীর মাতৃত্বের জন্য গর্ভধারণ করেন। নিজের পেটে নয় মাসে বেড়ে ওঠা সন্তান অন্যের, এ বিষয়টি মানবিকভাবে স্পর্শ করে
আপনারা যা জানলেন তার আলোকে বলতে চাই, যেসব মহিলারা সন্তানের মা হতে চান কিন্তু জন্ম দিতে পারছেন্না । তারা যদি ইচ্ছে করেন তাহলে মা হতে পারবেন । কোনোরকম শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াই । ওয়াদা করছি নাম ঠিকানা সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে ।
যোগাযোগ ঃ
E-mail: tmhasan6@gmail.com